মেনু নির্বাচন করুন
পাতা

আমাদের সম্পর্কে

ব্যানবেইস সম্পর্কেঃ

বাংলাদেশ শিক্ষাতথ্য পরিসংখ্যান ব্যুরো (ব্যানবেইস) দেশের শিক্ষা ব্যাবস্থাপনায় শিক্ষাতথ্য ও পরিসংখ্যান সংগ্রহ, সংরক্ষণ, বিতরণ ও প্রচারের একমাত্র সরকারী সংস্থা । ১৯৭৬-৭৭ অর্থ বছরে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সংযুক্ত দপ্তর হিসাবে সংস্থাটি কাজ শুরু করে । সংস্থাটি শিক্ষা ক্ষেত্র ধারাবাহিক উন্নয়নের সাথে সম্পৃক্ত হয়ে শিক্ষাতথ্য বিনির্মাণ ও সরবরাহ করে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সংস্থাসমূহের কাছে সমাদৃত হয়েছে । শিক্ষাতথ্য ও পরিসংখ্যান কার্যক্রম ছাড়াও বর্তমান সরকারের ভিশনঃ২০২১ ও এসডিজি বাস্তবায়নে শিক্ষাক্ষেত্রে আইসিটি প্রশিক্ষণ ও আইসিটি শিক্ষা প্রসারে ব্যানবেইস গুরুত্ত্বপূর্ন ভূমিকা রাখছে । 

 

উপজেলা আইসিটি ট্রেনিং এন্ড রিসোর্স সেন্টার ফর এডুকেশন (UITRCE) সম্পর্কেঃ

 

কোরিয়া সরকারের Economic Development and Cooperation Fund (EDCF) এর আওতায় Exim Bank এর আর্থিক সহযোগিতায় শিক্ষকদের আইসিটি প্রশিক্ষণ ও তৃণমূল পর্যায়ে ই-সেবা প্রদানসহ দেশের শিক্ষা ক্ষেত্রে আইসিটি শিক্ষা প্রসারের লক্ষ্যে ১২৫টি উপজেলাতে UITRCE নির্মাণ করা হয়েছে । বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২ মার্চ, ২০১৬ একযোগে এ সেন্টারগুলো শুভ উদ্ভোধন করেন । তার পর থেকে এ সেন্টারগুলার কার্যক্রম পুরোদমে চলছে । এ সেন্টারগুলোর মাধ্যমে জুন ২০১৭ এর মধ্যে প্রায় ১ লক্ষ শিক্ষক আইসিটি বিষয়ে প্রশিক্ষণ গ্রহন করেছেন । দেশের সবগুলো উপজেলাতে সেন্টার স্থাপনের পরিকল্পনার আওতায় বর্তমানে ২য় পর্যায়ে ১৬০টি উপজেলাতে UITRCE নির্মাণের কার্যক্রম চলছে । ৩য় পর্যায়ে দেশের বাকি সবগুলো উপজেলাতে UITRCE স্থাপনের কাজ সম্পন্ন হবে ।

UITRCE সেন্টারগুলোতে একজন সহকারী প্রোগ্রামার, একজন কম্পিউটার অপারেটর, একজন ল্যাব এসিস্ট্যান্ট ও একজন নিরাপত্তা প্রহরীর পদ সৃজন করে জনবল নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে । বর্তমানে UITRCE এর সবগুলা পদ রাজস্ব খাতে । আরো একজন পরিচ্ছন্নতা কর্মীর পদ সৃজন ও নিয়োগ প্রক্রিয়া চলমান আছে । 

প্রতিটি শিক্ষককে আইসিটি বিষয়ে প্রশিক্ষিত ও দক্ষ করে গড়ে তোলার প্রয়োজন রয়েছে যা আইসিটি পলিসি ২০০৯ এ উল্লেখ করা হয়েছে । এছাড়া দেশের সকল নাগরিককে একসেস টু ইনফরমেশন সুবিধা প্রদান করার কথাও বলা হয়েছে ।

এই সেন্টারটি বর্তমানে উপজেলা পর্যায়ের একটি অনন্য-সাধারণ স্থাপনা, ৪ তলা ভিত্তি সহ ২ তলা ভবন । এটি উপজেলা পর্যায়ে আইসিটি ক্ষেত্রে প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলা ও আইসিটি শিক্ষার ক্ষেত্রে গুনগত মান বৃদ্ধিতে খুবই গুরুত্ত্বপূর্ন ভূমিকা পালন করে চলেছে ।

শিক্ষা ও আইসিটি সেক্টরে গুরুত্ত্বপূর্ন ভুমিকা পালনের মাধ্যমে এই “উপজেলা আইসিটি ট্রেনিং এন্ড রিসোর্স সেন্টার ফর এডুকেশন (UITRCE)” গুলি সরকারের ভিশন – ২০২১, সাসটেইনএবল ডেভেলপমেন্ট গোলস – ২০৩০ (SDGs) ও রপকল্প – ২০৪১ বাস্তবায়নে তৃণমূল পর্যায়ে গুরুত্ত্বপূর্ন কাজ করছে । সর্বোপরি সোনার বাংলা গড়ার ক্ষেত্রে যথেষ্ট অবদান রাখতে পারে এই UITRCE সেন্টারগুলি ।

 

UITRCE এর বর্তমান কার্যক্রমঃ

 

  • দেশের ১২৫ টি উপজেলায় ইউআইটিআরসিই স্থাপন করা হয়েছে প্রথম পর্যায়ে । দেশের সবগুলো উপজেলাতে সেন্টার স্থাপনের পরিকল্পনার আওতায় দ্বিতীয় পর্যায়ে আরো ১৬০ টি উপজেলাতে সেন্টার স্থাপনের কাজ চলমান আছে ।
  • প্রথম পর্যায়ের ১২৫ টি সেন্টার বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ২ মার্চ, ২০১৬ একযোগে উদ্ভোধন করেন । এবং সেদিন থেকেই এই সেন্টারগুলোর কার্যক্রম চলমান আছে ।
  • উক্ত ১২৫ টি সেন্টারে জুন ২০১৭ পর্যন্ত প্রায় ১ লক্ষ শিক্ষক আইসিটি বিষয়ে প্রশিক্ষন গ্রহন করেছেন ।
  • চলমান ২০১৭-১৮ অর্থ-বছরে ৩৬০০০ শিক্ষককে আইসিটি বিষয়ে প্রশিক্ষন প্রদানের লক্ষমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ।
  • ব্যনবেইস এর বিভিন্ন বার্ষিক জরিপ কাজ সু-সম্পন্ন করার লক্ষ্যে শিক্ষকদের প্রশিক্ষন কালীন ধারণা প্রদান করা হচ্ছে । অনলাইনে জরিপ কাজ এর তথ্য প্রদান এর জন্য কারিগরী সহায়তা ও তথ্য সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে ।
  • দেশের ৯ টি শিক্ষা অঞ্চলের ৯ টি বাছাইকৃত উপজেলাতে Civil Registration & Vital Statistics (CRVS) এর পাইলটিং এর কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে আছে, যেটা খুবই গুরুত্ত্বপূর্ন একটা প্রকল্প । এই প্রকল্পের ফোকাল পয়েন্ট হিসাবে কাজ করছে ব্যানবেইস ।
  • ব্যনবেইস এর বিভিন্ন সেন্ট্রাল ড্যেটাবেইজ কে ফিল্ড লেভেল থেকে আপ-টু-ডেইট রাখার কাজে ভূমিকা পালন করছে ইউআইটিআরসিই সেন্টারগুলো ।
  • উপজেলা পর্যায়ে তথ্য-প্রযুক্তি বিষয়ক প্রশিক্ষন ও সেমিনার আয়োজনে বিভিন্ন সরকারী ও বেসরকারী সংস্থাকে বিভিন্ন সময়ে লজিস্টিক ও ইনফ্রাস্ট্রাকচার সুবিধা প্রদান করে আসছে ইউআইটিআরসিই সেন্টারগুলো ।
  • প্রথম পর্যায়ে প্রকল্পের আওতায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়, ব্যানবেইস ও সহযোগী সংস্থার ৪৫ জন কর্মকর্তা  কোরিয়াতে LS Cable & System Ltd. কর্তৃক ৫ টি ব্যাচে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেছেন ।
  • প্রথম পর্যায়ের ১২৫ টি সেন্টার এর অধিকাংশতেই কর্মচারীদের নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়েছে । ৪৪ টি সেন্টার এর অফিস প্রধান হিসাবে ৪৪ জন সহকারী প্রোগ্রামার এর নিয়োগ ও পদায়ন ইতিমধ্যেই সম্পন্ন হয়েছে ।
  • প্রত্যেকটি সেন্টারে একটি করে “পরিচ্ছন্নতা কর্মী” এর  পদ সৃষ্টির পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে ।
  • সেন্টারের ট্রেইনি শিক্ষকদের রেজিষ্ট্রেশন, মাস্টার ট্রেইনার (ToT) দের মূল্যয়ন ও প্রশিক্ষণ মনিটরিং এর জন্য অনলাইন ভিত্তিক সফটওয়্যার করা হয়েছে ।

ছবি


সংযুক্তি


সংযুক্তি (একাধিক)



Share with :

Facebook Twitter